ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ৩ ঘণ্টাপর যান চলাচল স্বাভাবিক। মহাসড়কের জোকারচর বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তোলা।

ফরমান শেখ: টাঙ্গাইলে ঘনকুয়াশায় ফলে মহাসড়কে পরপর সড়কে গাড়ি বিকল ও সংঘর্ষে কারণে ১০ কিলোমিটার এলাকায় জুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়েছিল। পরে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবহনগুলো অপসরণের পর সকাল ১০টার পর মহাসড়কে পরিবহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

 

শুক্রবার (২৬) বেলা সাড়ে ১০ টায় এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ওসি) মীর মো. সাজেদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে ভোর ৫ টা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত প্রায় ১২ থেকে ১৩ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানবাহনের দীর্ঘ সারি ও ধীর গতিতে গাড়ি চলাচল করতে দেখা যায়। এরমধ্যে মহাসড়কের ৭ নং ব্রিজে পণ্যবাহী একটি ট্রাক বিকল ও ১২ নং ব্রিজের কাছে বাস ও পিকআপের সংঘর্ষের ঘটে ঘটনা ঘটে। এতে কেউ হতাহত হয়নি।

 

জানা যায়, অতিরিক্ত ঘন কুয়াশা ও এলোমেলোভাবে গাড়ি চালানোর কারণে সড়কের পৃথক স্থানে দুইটি ঘটনা ঘটে। ফলে সেতু পূর্ব থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত প্রায় ১২ থেকে ১৩ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হলেও ১ ঘণ্টার মতো পুরোপুরি গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকে। এসময় ঢাকা ও উত্তরবঙ্গগামী দূরপাল্লার কিছু কিছু যানবাহনের চালক বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব-ভূঞাপুর-এলেঙ্গা আঞ্চলিক জেলা মহাসড়ক ব্যবহার করেন।

 

চালক ও যাত্রীরা জানান, কুয়াশার কারণে পৃথক স্থানে দুইটি ঘটনা ঘটে। ফলে ঘটনার পর থেকে মহাসড়কের এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব পর্যন্ত যানজট সৃষ্টি হয়েছিল। এতে শীতে অনেক ভোগান্তিতে পড়তে হয়। পরে বেলা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে যানবাহন চলাচলের চাপও কমে আসে। এ সময় ঘন কুয়াশায় মহাসড়কে তীব্র যানজট ও দুর্ঘটনারোধে পুলিশ সদস্যদের কাজ করতে দেখা যায়।

 

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) পলাশ ঘোষ জানান, ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব মহাসড়কে সকালের দিকে ৭ নং ব্রিজে ট্রাক বিকল ও ১২ নং ব্রিজে বাস-পিকআগের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। রেকার দিয়ে এগুলো সরাতে কিছু সময় লেগে যায়। যার কারণে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা দেয়। পরে বেলা সাড়ে ৮ টার থেকে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

 

ওজি