তৌফিকুর রহমান: পর্যটন শিল্পে বিশেষ অবদানের জন্য ‘গ্লোবাল স্টার অ্যাওয়ার্ড ২০২৪’ পেয়েছেন টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরের  সৌরভ ইশতিয়াক।

 

গত শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি ফয়সাল মাহমুদ ফয়েজীর হাত থেকে তিনি পুরস্কারটি গ্রহণ করেন।

 

জানাযায়, গ্লোবাল স্টার কমিউনিকেশনের আয়োজনে এবার সিজন-২ অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে ২০২৩ সালের সেরা চলচ্চিত্র, টেলিভিশন নাটক, ওটিটি, গান, নাচ, সাংবাদিকতার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন সেক্টরে বিশেষ অবদান রাখার জন্য প্রায় ২০ জনকে পুরস্কার প্রদান করা হয়। বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেত্রী আনোয়ারা, উপমহাদেশের কিংবদন্তি নজরুল সংগীত শিল্পী ফেরদৌস আরা ও এনটিভির পরিচালক নুর উদ্দিন আহমেদকে গ্লোবাল স্টার অ্যাওয়ার্ড আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয়।

 

এবার জুরি বোর্ডের দায়িত্ব পালন করেছেন তথ্য মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ, চিত্রনায়িকা রোজিনা, এটিএন বাংলার উপদেষ্টা তাশিক আহমেদ, টেলিভিশন রিপোর্টার্স ইউনিটি অব বাংলাদেশ (ট্রাব) সভাপতি সালাম মাহমুদ, কোরিওগ্রাফার ইভান শাহরিয়ার সোহাগ, গ্লোবাল স্টার কমিউনিকেশনের চেয়ারম্যান মাশায়েদ রহমান মুন এবং বিনোদন সাংবাদিক মাসিদ রণ।

 

সৌরভ ইশতিয়াক বিগত ছয় বছর ধরে পর্যটন খাত নিয়ে কাজ করছেন,দেশের বিভিন্ন পর্যটন স্পটে তিনি তৈরী করেছেন চমৎকার সব স্থাপনা,যা দেশের মানুষদের পর্যটন শিল্পে আগ্রহ বাড়িয়েছে। বর্তমানে তিনি ইকো ট্যুরিজম নিয়ে কাজ করছেন।

 

সৌরভ ইশতিয়াক টোয়াব এবং ইটাবের সদস্য। এছাড়া তিনি  টাঙ্গুয়ার হাওর হাউজবোট ও নার্স এসোসিয়েশন এর সহ প্রচার সম্পাদক এবং সুন্দরবন রিসোর্ট মালিক সমিতির প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বরত আছেন।

 

সৌরভ ইশতিয়াক টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার কাঠালবাগান এলাকার আব্দুল্লাহ আল মামুনের ছেলে। তিন ভাইয়ের মধ্যে ইশতিয়াক সবার বড়। তিনি ২০০৯ সালে ভূঞাপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করেন। তারপর থেকেই তিনি ঢাকায় চলে যান এবং সেখানেই পড়াশোনা করেন। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিভাগে স্নাতক শেষ করেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ  করেন।

 

এ বিষয়ে সৌরভ ইশতিয়াক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় আমার ভ্রমণের আগ্রহ বাড়ে,২০১৭ সালে আমি দেশের ৬৪ জেলা ভ্রমণ করেছি। বর্তমানে সুযোগ পেলেই দেশের বাইরে ভ্রমণ করতে বেরিয়ে যাই। চাকরির পেছনে সময় নষ্ট না করে  নিজের শখের ভ্রমনকেই পেশা বানিয়ে নিয়েছি। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন জায়গায়  আমার ১১ টি পর্যটন স্থাপনা রয়েছে।  তরুণ প্রজন্মকে পর্যটন শিল্পে যুক্ত হবার আহবান জানাচ্ছি।

 

ও‌জি/প্রটা