মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবির) কর্মকর্তা শহিদুল শিক্ষাক্ষেত্রে এবং দক্ষ সংগঠক হিসেবে নারী দিবস ও মাদার তেরেসা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন।

 

গত রবিবার (১০ মার্চ)  ঢাকার বিজয় নগরে হোটেল অরনেট হোটলে বাংলাদেশ মানবাধিকার কল্যাণ সোসাইট’র উদ্যোগে উদ্যোগে “সমাজ উন্নয়নে নারীর ভূমিকা” শীর্ষক আলোচনা সভা, গুণীজন সম্মাননা অনুষ্ঠানে তার হাতে এই গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড তুলে দেন অতিথিরা। তিনি ছাড়াও অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ৩০ জনকে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

 

বাংলাদেশ মানবাধিকার কল্যাণ সোসাইটির চেয়ারম্যান গীতিকবি সেলিনা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্অরধান অতিথি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক। এতে প্রধান আলোচক বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর হাসমত আলী।

 

এছাড়াও সংসদ সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সমাজ সেবক, মানবাধিকার ব্যক্তিত্ব, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, আইনজীবী, সাংস্কৃতিক কর্মী সহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

 

মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ধূলবাড়ী গ্রামের মো. ইসমাইল হোসেনের ছেলে। তিনি খাস কাকুয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, সরকারি এমএম আলী কলেজ থেকে এইচএসসি, সরকারি সাদত কলেজ থেকে স্নাতক এবং বাঙলা কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।

 

এ অ্যাওয়ার্ড পাওয়া প্রসঙ্গে মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম  বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে ও দক্ষ সংগঠক হিসেবে এই পুরষ্কার দেয়া হয়েছে। ২০১৪ সালে যখন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করি তখন দেখি এখানে বঙ্গবন্ধু নামে কোনো পরিষদ নাই। বিভিন্ন দিবস তেমন পালিত হতো না। সে সময় কয়েকজন মিলে ৬ মাস খোঁজাখুঁজি করে বঙ্গবন্ধু আদর্শে বিশ্বাসী এবং সংস্কৃতিমনা ৪০-৪৫ জনকে খুঁজে বের করি। তখন একটা আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। পরে একসময় পূর্ণাঙ্গ কমিটিও হয়। সে থেকে আজ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু চিন্তা চেতনা আদর্শ বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি। কেন্দ্র থেকে খুঁজ খবর নিয়ে দেখেছে একজন দক্ষ সংগঠক বলে আমাকে এই পদকে মনোনিত করা হয়েছে। বর্তমানে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক পরিষদ, মাভাবিপ্রবি শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।

 

ওজি