তৌফিকুর রহমান: বিএনপিসহ কয়েকটি দলের ডাকা অবরোধ কর্মসূচীর কারণে গণপরিবহণ চলাচল না করায় চরম ভোগান্তি পড়েছে মানুষ। এছাড়া ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব মহাসড়কেও নেই গণপরিবহন। ফলে ঝুঁকি নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে বঙ্গবন্ধু সেতু পারাপার হতে হচ্ছে তাদের।
রবিবার (১২ নভেম্বর) বিকেলে সরেজমিনে বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব রেলস্টেশন এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, মানুষজন পরিবার-পরিজন নিয়ে মোটরসাইকেল, খোলা ট্রাক ও পিকআপযোগে সেতু পারাপার হচ্ছে। এতে সেতু পূর্ব হতে সিরাজগঞ্জের কড্ডার মোড় পর্যন্ত পিকআপ ও খোলা ট্রাকে ৫০ টাকা এবং মোটরসাইকেলেযোগে জনপ্রতি ৮০ থেকে ১০০টাকা করে নেয়া হচ্ছে।
এদিকে অবরোধে পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকার সুযোগে স্থানীয়রা তাদের ব্যক্তিগত মোটরসাইকেলে দিয়ে যাত্রীদের সেতু পারাপার করে বাড়তি উপার্জন করছেন। সেতুপূর্ব এলাকায় প্রায় অধশতাধিক মোটরসাইকেল চালক যাত্রী পারাপার করছেন। এছাড়া বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব হতে গাজীপুরের চন্দ্রা, কালিয়াকৈর ও মির্জাপুরের গোড়াই পর্যন্ত মানুষজন বিকল্প যানবাহন হিসেবে সিএনজি চালিত অটোরিকশাযোগে গন্তব্যে যাচ্ছেন বাড়তি ভাড়া দিয়ে।
- রবিউল ইসলাম জরুরী কাজে বগুড়া যাওয়ার জন্য পরিবহনের জন্য অপেক্ষা করছেন বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব পাড়ে। কিন্তু দীর্ঘ সময় গাড়ি না পেয়ে বাধ্য হয়ে সেতু পার হওয়ার জন্য একশ টাকায় মোটরসাইকেলে উঠেছেন।
রবিউল ইসলাম বলেন, অবরোধে মহাসড়কে পরিবহণ নেই। খুবই গুরুত্বপূর্ন না হলে তিনি বগুড়ায় যেতেন না। মোটরসাইকেলে সেতু পার হয়ে এরপর ভেঙে ভেঙে বগুড়ায় যাবো।
- আলাউদ্দিন হোসেন বলেন, ছোট ছোট যানবাহন ঠিকই চলাচল করছে। তবে ভাড়া বেশি দিয়ে যেতে হচ্ছে। অনেক মানুষ মোটরসাইকেলে ঝুঁকি নিয়ে সেতু পারাপার হচ্ছে পরিবার নিয়ে। পর্যাপ্ত যাত্রী সড়কে থাকলেও কোন পরিবহন নেই।
মোটরসাইকেল চালক সাইফুল বলেন, মানুষজন কষ্ট করে দাড়িয়ে থাকে মহাসড়কে। কোন পরিবহণ চলাচল করছে না। এই সুযোগে আমরা তাদের সার্ভিস দিচ্ছি যাতে তারা সেতু পার হতে পারে। এতে কিছু টাকা উপার্জন হয়। তাতে সংসারে অনেক কাজে আসে।
চালক নজরুল বলেন, আমারমত স্থানীয় অনেকেই মোটরসাইকেলে যাত্রী পারাপার করছে। নির্দিষ্ট কোন ভাড়া নেয়া হয় না। যার কাছ থেকে যেমন নেয়া যায়।
ওজি
