ফরমান শেখ: টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে সরকারি পুকুরে ময়লা আবর্জনা ফেলা বন্ধে নির্দেশনাযুক্ত প্রশাসন সাইনবোর্ড টানিয়ে দিলেও সেটি অমান্য করা হচ্ছে। এতে কয়েকদিনপরই সাইনবোর্ড ছিড়ে ফেলা হয়েছে। আর ফেলা হচ্ছে পুকুরের আশপাশে ময়লা ও আবর্জনা। এতে সেখানে পরিবেশ দু:ষিত হচ্ছে।
এছাড়া পুকুরে পাশে বাসা বাড়িতে কাজ করার জন্য বালু ইট পাথর ফেলে দখল করা হচ্ছে।
জানা গেছে, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয় থেকে একাধিবার নিষেধ করে নির্দেশনামূলক সাইনবোর্ড টাঙানো হয়। এতে বলা হয়েছে- ১নং খাস খতিয়ানভুক্ত ৮২০ দাগে ০.৪৮ একর এবং ৮২১ দাগে ০.২৭ একর মোট ০.৭৫ একরের পুকুরটি সরকারি সম্পত্তি। সরকারি স্বার্থ, পুকুরের সৌন্দর্য বর্ধন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ রক্ষার্থে আশে-পাশে ময়লা আবর্জনা ফেলা নিষেধ। আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
- ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী জানান, সরকারি পুকুরটি দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত। এতে সেখানে যত্রতত্রভাবে ময়লা আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। হাসপাতালের লোকজনও সুযোগবুঝে ময়লা ফেলছে পুকুরে। সাইনবোর্ড টাঙিয়ে নিষেধ করা হচ্ছে। কিন্তু কোন কাজ হচ্ছে না। যারা ময়লা ফেলছে তারা সাইনবোর্ড দেখে না।
হাসপাতালে আসা রোগীরা জানান, ভূমি অফিসের এই পুকুরের পূর্ব ও পশ্চিমপাশে ময়লা ফেলে পরিবেশ নষ্ট করা হচ্ছে। এছাড়া পুকুরের পুর্ব পাড়ে বালু, ইট পাথর ও গাড়ি পার্কিং করে দখল করে রাখায় হেটে হাসপাতালে যাওয়া যায় না। পুকুরটি সংস্কার করে চতুর্পাশে রেলিং করে হাটা চলার মত উপযোগি করে দিলে সুবিধা হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. বেলাল হোসেন বলেন, ভূমি অফিসের পুকুরটিতে ময়লা আবর্জনা ফেলা বন্ধে ও সৌন্দর্য রক্ষায় সাইনবোর্ড দেয়া হয়েছে। এছাড়া পুকুরটি সংস্কার করা প্রয়োজন বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
ওজি
