নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপির সমাবেশে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিহত পুলিশ সদস্য আমিরুল ইসলাম পারভেজের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা। ছেলে হারানোর কষ্টে বৃদ্ধ বাবা-মা নির্বাক হয়ে পড়েছেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে তারা ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। এলাকাবাসি এ ঘটনার বিচার চায়। এদিকে প্রশাসন বলছে, নিহত পুলিশ সদস্যের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোসহ সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

জানা গেছে, আমিরুল ইসলামের গ্রামের বাড়ি ছিল মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলায়। নদীভাঙনে ঘর হারিয়ে তারা টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার দপ্তিয়র ইউনিয়নের ফয়েজপুর উপজেলায় বসবাস শুরু করেন। বাবার নাম বীরমুক্তিযোদ্ধা সেকেন্দার আলী মোল্লা। আমিরুল ইসলাম পারভেজ ২০১১ সালে পুলিশে যোগদান করেন। তারা দুই ভাই। চাকরির সুবাদে পারভেজ স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ঢাকাতেই থাকতেন। ২০১২ সালে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার বোলদার ইউনিয়নের রুমা আক্তারকে বিয়ে করেন। তাদের ছয় বছরের একটি মেয়ে রয়েছে। ঘটনার খবর শোনার পর থেকেই নিহত পুলিশ সদস্য আমিরুল ইসলাম পারভেজের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা। ছেলে হারানোর কষ্টে বৃদ্ধ বাবা-মা নির্বাক হয়ে পড়েছেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে তারা ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। এই ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। নিহতের বাড়িতে ভিড় করছেন আত্মীয়-স্বজনসহ এলাকাবাসি। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চায়।

 

  • অপরদিকে প্রশাসন বলছে, ওই পুলিশ সদস্যের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে ঢাকায় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর মরদেহ তার গ্রামের বাড়িতে আনা হবে। নিহতের পরিবার যেভাবে চাইবে, সেইভাবে সবকিছু হবে। তার পরিবারের পাশে দাঁড়ানোসহ সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

জেলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, ওই পুলিশ সদস্যের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে ঢাকায় জানাযা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর মরদেহ তার গ্রামের বাড়িতে আনা হবে। নিহতের পরিবার যেভাবে চাইবে সেইভাবে হবে। শোক তার জানাযা নামাজ ও তার পরিবারের পাশে দাড়ানোসহ সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া মরহুমের শোক-সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহমর্মিতা জ্ঞাপন করছি।

 

ওজি