বিশেষ প্রতিবেদক: টাঙ্গাইলে আটটি আসনে পরিবর্তন আনা হলেও সেই আসনগুলোর একটিতেও জায়গা পায়নি খান পরিবার ও সিদ্দিকী পরিবার। যদিও দুই পরিবার থেকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চাওয়া হয়েছিল।

 

এরআগে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় থেকে টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের জন্য মনোনয়নপত্র তোলেন আতাউর রহমান খান। তিনি বর্তমানে ওই আসনে সংসদ সদস্য। এরআগে তার ছেলে আমানুর রহমান খান রানা সংসদ সদস্য ছিলেন। এবার নির্বাচনে তার স্থানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সাবেক উপাচার্য বীরমুক্তিযোদ্ধা ডা. কামরুল হাসান খানকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।

 

এদিকে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) ও টাঙ্গাইল-৫ সদর আসন মনোনয়নপত্র তোলেন মুরাদ সিদ্দিকী। তুখোড় ছাত্র নেতা হিসেবে জেলায় পরিচিত। তিনি আওয়ামী লীগের সাবেকমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী ও বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর ছোট ভাই। এছাড়া টাঙ্গাইল-৫ সদর আসনে আওয়ামী যুবলীগের সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।

 

  • এরআগে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাতের পর জেলায় গুঞ্জন ছিল সিদ্দিকী পরিবারকে দুইটি আসনে মনোনয়ন দেয়া হবে আওয়ামী লীগ থেকে। তারপর থেকেই মুরাদ সিদ্দিকী ব্যতিত বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী ও সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী বিভিন্ন সময় জেলার তিনটি আসনে সভা-সমাবেশ করেছেন। রবিবার মনোনয়ন ঘোষণায় তাদের পরিবারের কারোর নাম না হতাশ।

 

এদিকে খান পরিবারও হতাশ মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ায়। তবে পরবর্তিতে ওই দুই পরিবার সতন্ত্র হিসেবে নির্বাচন করবে কিনা এই বিষয়ে পরিস্কার করে কিছু বলছেন না।

 

টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসন থেকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিস্কৃত সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী সতন্ত্রভাবে মনোনয়নপত্র ক্রয় করেছেন। তার ভাই মুরাদ সিদ্দিকীও টাঙ্গাইল-৪ এবং টাঙ্গাইল-৫ আসন থেকে মনোনয়নপত্র ক্রয় করেছেন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইল দুই পরিবার ছিল আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে।

 

  • এই বিষয়ে মুরাদ সিদ্দিকী বলেন, মনোনয়ন পাওয়ার আশায় ছিলাম। এখনও কোন সঠিক নেয়নি যে নির্বাচন করবো কিনা। পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

 

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আতাউর রহমান বলেন, এটা এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি। এই মুহুর্তে কোন কিছু মন্তব্য করতে চায় না।

 

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে পুরুষ ভোটার রয়েছে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৭৩০জন এবং মহিলা ভোটার রয়েছে ১ লাখ ৭৮ লাখ ৩৮৭জন।

 

ওজি